বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০১:৪২ অপরাহ্ন

প্রতিনিধি নিয়োগ-
ঢাকা সহ সারাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সংবাদদাতা নিয়োগ করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা dailyalochitosokal@gmail.com এ সিভি প্রেরণ করে ০১৭১৫৫০৫২৪৪ নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করছি।
শিরোনাম:
সাংবাদিক বাহাউদ্দীন তালুকদারের জন্মদিনে বিভিন্ন মহলের শুভেচ্ছা জামালপুরে ইয়াবা উদ্ধারের চাঞ্চল্যকর মামলার যুক্তিতর্ক চলছে পরিকল্পনার অভাবে জলে যেতে বসেছে সরকারের কোটি কোটি টাকা রূপগঞ্জে মূর্তিমান আতংক ভূমিদস্যু ফয়েজ বাহিনীর খুঁটির জোর কোথায়? সরিষাবাড়ীতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার  আলফাডাঙ্গা সদর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আশিকের আলোচনা সভা ‘দুঃখিনী মায়ের গল্প’ গানে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছে রোজিনা  আলফাডাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি, দোকান, ভাংচুর স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুটপাট : থানায় মামলা বুড়াইচ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত‍্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী আহসানউদ্দৌলা রানা’র উঠান বৈঠক বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আলফাডাঙ্গায় বিক্ষোভ
আমরা গণমুখী স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করে এ নীতির বাস্তবায়ন করছি-শেখ হাসিনা

আমরা গণমুখী স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করে এ নীতির বাস্তবায়ন করছি-শেখ হাসিনা

দেশের স্বাস্থ্যখাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “আমরা গণমুখী স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করে এ নীতির বাস্তবায়ন করছি। যুগোপযোগী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন নতুন হাসপাতাল, নার্সিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠাসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “সারাদেশের হাসপাতালগুলোর শয্যা বৃদ্ধি, চিকিৎসক, নার্স, সাপোর্টিং স্টাফের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। মেডিকেল শিক্ষার প্রসারে নতুন নতুন মেডিকেল কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। গ্রাম পর্যায়ে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সারা দেশে প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ফ্রি স্বাস্থ্য, পরিবার কল্যাণ ও পুষ্টিসেবা প্রদান করা হচ্ছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতাল থেকে মোবাইল ফোন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা চালু করা হয়েছে।”

‘বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা দিবস-২০২২’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বর্তমান সরকার ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মত মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে, যার মূল লক্ষ্য ছিল দেশের মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গবেষণার বুনিয়াদ সৃষ্টি করা। আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ করে এর গবেষণা ও শিক্ষা কর্মকাণ্ডকে প্রাধিকারমূলক কর্মসূচির আওতায় রেখেছি এবং সে অনুসারে উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। কেননা নিজস্ব গবেষণা ব্যতীত দীর্ঘস্থায়ী ও যুগোপযোগী চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠা করা দুরূহ ব্যাপার।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থবারের মতো ‘বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা দিবস’ উদযাপন করতে যাচ্ছে জেনে তিনি আনন্দিত।”

এই উপলক্ষে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপরই দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে তিনি চিকিৎসা সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য জেলা, থানা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হাতেই বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন শুরু হয়।

বাংলাদেশের মানুষের জন্য চিকিৎসাসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিএসএমএমইউ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমি আশা করি, চিকিৎসা গবেষণাতেও বিশ্ববিদ্যালয়টি নেতৃত্ব দেবে। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি গবেষণাকে বেগবান করার জন্য ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ দিয়েছে, যা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। এ বছর গবেষণা খাতে বরাদ্দ ৪ কোটি থেকে ২২ কোটি ৪০ লাখ টাকায় উন্নীত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করতে ‘উপাচার্য গবেষণা পুরস্কার’ সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদন করেছে। সম্প্রতি অধিকতর জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একসঙ্গে ২৪ জন গবেষক শিক্ষক চিকিৎসককে পিএইচএইডি কোর্সে এনরোলমেন্ট করেছে। গবেষণার মানকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা ও জ্ঞান বিনিময়ের জন্য এআইএমএস, ব্রাউন ও শিকাগো এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে জিনোম সিকোয়েন্সিং রির্সাসের ফলাফল প্রকাশ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা দিবস ২০২২ উদযাপন খুবই সময়োপযোগী পদক্ষেপ, যা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত গবেষক, চিকিৎসক ও সংশি¬ষ্ট সবাইকে যেমনি অনুপ্রাণিত করবে তেমনি দেশের চিকিৎসকবৃন্দকে চিকিৎসা সেবায় উদ্বুদ্ধ করবে। ফলে আমরা দেশে সমন্বিত উন্নয়নের গতি ধারার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম জাতি গঠনে সমর্থ হবো।

তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি
Design & Developed BY SheraWeb.Com