বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:১৭ অপরাহ্ন

প্রতিনিধি নিয়োগ-
ঢাকা সহ সারাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সংবাদদাতা নিয়োগ করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা dailyalochitosokal@gmail.com এ সিভি প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ করছি।
শিরোনাম:
টঙ্গীতে ব্যাঙের ছাতার মতো অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার

টঙ্গীতে ব্যাঙের ছাতার মতো অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার

টঙ্গীতে ব্যাঙের ছাতার মতো অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নগরীর বিভিন্ন স্থানে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও প্রাইভেট  ক্লিনিক বসিয়ে সেবার নামে প্রতারণা করে ব্যবসা করছেন। আর এসব ক্লিনিকে আসা রোগীরা ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে প্রতিনিয়ত। অবৈধ এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গাজীপুর সিভিল সার্জন কর্তৃক ব্যবস্থা না নেওয়ায় দিন দিন ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও প্রাইভেট ক্লিনিকের সংখ্যা বেড়েই চলছে।

সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, নিয়মনীতির কোন তোয়াক্কা না করে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী ক্লিনিকের মূল ফটকে নামী দামি চিকিৎসকের নাম সংবলিত সাইনবোর্ড টানিয়ে দেদারসে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের ক্লিনিক ব্যবসা। এরমধ্যে টঙ্গীর সিলমুন, টিএন্ডটি, স্টেশন রোড, টঙ্গী বাজার, চেরাগ আলী, কলেজ গেট, দত্তপাড়া, হোসেন মার্কেট, মুদাফা, গাজীপুরা শাতাইশ, খাঁ-পাড়া,আউচপাড়া, মাঝু খান, মিরের বাজারসহ বিভিন্নস্থানে যত্রতত্র ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে। এসব ক্লিনিকে নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক ছাড়পত্র, নেই পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা,  ফায়ার লাইসেন্সসহ নানা সমস্যা থাকা স্বত্ত্বেও কোনো সমস্যাই মনে করছেন না কর্তৃপক্ষ।

এসব প্রতিষ্ঠানের রয়েছে একদল দালাল। কোন রোগী সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা নিতে আসলেই ওইসব দালাল উন্নত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে নিজ নিজ প্রাইভেট ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে নিয়ে যান। স্থানীয়রা বলছেন, গাজীপুর সিভিল সার্জন কর্তৃক ব্যবস্থা না নেওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠান মালিকরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

 

এ বিষয়ে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক মো. জাহ্ঙ্গাীর আলম বলেন, সরকারি হাসপাতাল ঘেঁষে ডজন খানেক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের দালালরা সরকারি হাসপাতালে রোগী আসলে ভাগিয়ে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে গাজীপুরের সিভিল সার্জন মো. খায়রুজ্জামান বলেন, আমরা গতবছর অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি। গাজীপুরে তিন শতাধিক বৈধ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর বাইরে অবৈধ কিংবা কোন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি
Design & Developed BY SheraWeb.Com