মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ১০:১৬ অপরাহ্ন

প্রতিনিধি নিয়োগ-
ঢাকা সহ সারাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সংবাদদাতা নিয়োগ করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা dailyalochitosokal@gmail.com এ সিভি প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ করছি।
শিরোনাম:
পলাশবাড়ীতে শিক্ষক সংকটে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত || জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার স্কুল পরিদর্শন

পলাশবাড়ীতে শিক্ষক সংকটে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত || জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার স্কুল পরিদর্শন

মোঃ রাশিদ নাইফ প্রিনন, স্টাফ রিপোর্টার ঃ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর দিঘলকান্দি মডেল সরকারি প্রাথমিক (নিম্ন মাধ্যমিক) বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও অবকাঠামো সংকটে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নে দিঘলকান্দি ক্লাস্টার মডেল সঃ প্রাঃ বিদ্যালয় অবস্থিত। রোববার (২৪ অক্টোবর) সরেজমিন বিদ্যালয়টিতে উপস্থিত হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হোসেন আলী পরিদর্শনে আসেন।

জানা যায়, ১৯৩৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ ২০০৭ সালে একটি এক তলা বিল্ডিংসহ আরও দুইটি জরাজীর্ণ বিল্ডিং রয়েছে। ২০১৩ সালে বিদ্যালয়টি নিম্নমাধ্যমিকে ৮ম শ্রেণি পযর্ন্ত উন্নীত করা হয়। সে তুলনায় শিক্ষক পেটানটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়মেই রয়েছে। মাধ্যমিকসহ প্রাথমিক পর্যায়ে ১৫ জন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও ৯ জন শিক্ষক দিয়ে ক্লাশ চালাচ্ছে। মাধ্যমিক শাখায় সরকারের পরিপত্র অনুযায়ী ৩ জন বিএড শিক্ষকসহ আরও শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও তাহা নেই।

চলতি দায়িত্বেরত প্রধান শিক্ষক সাকিদুল ইসলাম জানান, আমার বিদ্যালয়ে ৩৫৮ জন শিক্ষার্থী। নিম্নমাধ্যমিক পর্যন্ত বিদ্যালয়টি উন্নীত করা হলেও শিক্ষক অবকাঠামো চরম সংকট। তিনি আরও বলেন, উপজেলার মধ্যে এই একটি মাত্র প্রাথমিক বিদ‍্যালয় যেখানে অষ্টম শ্রেনী পযর্ন্ত ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু এই তিন ক্লাশ পড়ানোর জন‍্য আলাদা কোন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। যে কারণে ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়েও তাদের শিক্ষক অভাবে লেখা-পড়া বিঘ্নিত হচ্ছে। এদিকে শিশু শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পযর্ন্ত পড়ানোর জন‍্য যে শিক্ষক আছে তারা যদি ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেণিতে ক্লাশ নিতে যায় তখন অন‍্য ক্লাশ নেওয়া বন্ধ থাকে। এছাড়া সিমানা প্রচীর জরুরি হয়ে পড়েছে।

এব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হোসেন আলীকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, বিদ্যালয়টিতে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করা হলেও শিক্ষক সংকট থাকায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অবকাঠামো নির্মাণ ও শ্রেণিকক্ষ যথাযথ ভাবে ব্যবস্থা করা হবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ইন্সট্রাক্টর শ্যাম সুন্দর মিত্র, সহকারি ইন্সট্রাক্টর মোঃ রাসেল, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ কবির আকন্দ, আসাদুজ্জামান দোলন ও অহেদুজ্জামান। বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি তারা মিয়া, সাবেক চেয়ারম্যান দুলা মিয়া প্রমূখ।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি
Design & Developed BY SheraWeb.Com