মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ১০:৪৮ অপরাহ্ন

প্রতিনিধি নিয়োগ-
ঢাকা সহ সারাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সংবাদদাতা নিয়োগ করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা dailyalochitosokal@gmail.com এ সিভি প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ করছি।
শিরোনাম:
বাকলিয়ায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের গ্রেফতার দাবি করেছেন হামলায় আহত ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ ফারুকী

বাকলিয়ায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের গ্রেফতার দাবি করেছেন হামলায় আহত ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ ফারুকী

 

নগরীর বাকলিয়া এলাকার চি‎িহ্নত সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষা পেতে এবং তাদের গ্রেফতার দাবি জানিয়েছে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ ফারুকী। অদ্য ১৩ এপ্রিল সকাল ১১ টায় চট্টগ্রাম প্রেস কাবের সুলতান আহমেদ হলে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানান তিনি। এতে লিখিত বক্তব্যে ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ ফারুকী বলেন, গত ১০ এপ্রিল সকাল ১১ টায় তার আত্মীয় ও ব্যবসায়ীক বন্ধু ইসলাম মিয়ার বাকলিয়া এক্সেস রোডস্থ জায়গায় গৃহ নির্মাণের দাওয়াতে গেলে বাকলিয়া এক্সেস রোডস্থ চিহ্নিত চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী মোঃ জাকির হোসেন (৬২), পিতা- মৃত তাজুল ইসলাম, মাতা মৃত ফিরোজা খাতুন, সাং- ৬নং ওয়ার্ড, মাইজপাড়া, পূর্ব ষোলশহর, থানা- চান্দগাঁও, সৈয়দ সাদ্দাম হোসেন প্রকাশ নজরুল (৪০), পিতা- ছৈয়দ মমতাজ উদ্দিন, মাতা- মোছাম্মৎ মরিয়ম বেগম, সাং- পেশকার বাড়ী, ছৈয়দ শাহ রোড, থানা- বাকলিয়া, ইকবাল হোসেন লিটন (৪১), পিতা- আবু তাহের, মাতা- জামেনা খাতুন, সাং- ইকবাল বিল্ডিং, কাশেম আলী বাপের বাড়ী, ছৈয়দ শাহ রোড, থানা- বাকলিয়া, সর্ব জেলা- চট্টগ্রাম সহ আরও ১০-১২ জন সন্ত্রাসী মিলে তাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে হামলা করে।
তিনি বলেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে আমার বন্ধু ইসলাম মিয়ার নিকট ২ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলো। গত ১০ এপ্রিল আমার বন্ধু ইসলাম মিয়া সকালে গৃহ নির্মানের জন্য তার তপশীলোক্ত জায়গায় কাজ শুরু করার পর ঐ দিন দুপুর ১২টায় অভিযুক্তরা ইসলাম মিয়ার জায়গায় অনধিকার প্রবেশ করে এবং সরাসরি চাঁদার টাকা দাবি করে। এসময় আমি কিসের টাকা জিজ্ঞাসা করার সাথে সাথে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ সঙ্গবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র, দা-কিরিচ, লোহার রড, লাঠি নিয়ে সবাই একত্রে আমার উপর হামলা করে। সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত ইমতিয়াজ ফারুকি আরো বলেন, প্রাণে বাঁচতে নিরুপায় হয়ে সরকারের জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বারে ফোন করলে বাকলিয়া থানার মোবাইল টিম সহ থানার এস.আই. জালাল এসে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে আমাকে উদ্ধার করেন এবং চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। অভিযুক্তগণ ইমতিয়াজ ফারুকীকে মেরে আহত করার পর ভিকটিমকে ফাঁসাতে তার বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানায় মিথ্যা মামলা করতে গেলে, বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে অভিযুক্তগণের কয়েকজনকে গ্রেফতার করে থানা হাজতে আটক রাখেন।
এদিকে চমেক হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ইমতিয়াজ ফারুকী বাকলিয়া থানায় অভিযুক্তগণের বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে সেখানে একটি আপোষ মিমাংসার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর আটককৃত ব্যক্তিগণ উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং মা চেয়ে থানায় লিখিত মুসলেকার মাধ্যমে আপোষনামা দিলে থানা হাজত থেকে আটককৃতদের ছেড়ে দেয়। কিন্তু ছাড়া পাওয়ার পর অভিযুক্তরা আবারো ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ ফারুকিকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছেন মন্তব্য করে ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ ফারুকি বলেন, গত ১১ এপ্রিল সকাল ১১টায় ব্যক্তিগত কাজে কোর্ট বিল্ডিং এ যাওয়ার পথে কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তার সামনে এসে হুমকি দিয়ে বলে যে, বাকলিয়া থানা পুলিশ তোকে কতদিন নিরাপত্তা দেয় দেখব। তুই মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাক। এই বলে মোটর সাইকেল করে তারা চলে যায়। বর্তমানে তিনি নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন বলে জানান।
উল্লেখ, বাকলিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় আহত ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ ফারুকী কর্ণফুলী উপজেলার শাহ্ মীরপুর গ্রামের আলহাজ্ব ক্বারী ইব্রাহীম আল ফারুকী’র সন্তান।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি
Design & Developed BY SheraWeb.Com